মিয়া সুলেমান, ময়মনসিংহ থেকে
ময়মনসিংহ জেলাধীন ইশ্বরগঞ্জস্থ আঠারবাড়ি ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড বিষ্ণুপুর গ্রামে মো. সাহেব আলীর ভোগদখলকৃত ভিটা (জমি) জোরপূর্বক ভূমিদস্যূ ও তার গংরা মিলে দখল করার চেষ্ঠা করে।
আঠারবাড়ি ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বিষ্ণুপুর গ্রামের নিরীহ বাসিন্দা মো. সাহেব আলীর ভোগদখলীয় জায়গায় জবরদখল করে ঘর নিমার্ন করে ভূমি দস্যূ মঞ্জু ও তার গংরা। শুধু তাই নয়, বিকাল ৫ ঘটিকায় সাংবাদিক মিয়া সুলেমান তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গেলে তাকে প্রাণ নাশের হুমকি দেয়া হয়। হুমকিদাতা মঞ্জু, পিতা-আব্বাছ আলী, হারুন, পিতা-মঞ্জু, জোসনা, পপি, শিউলি এবং সাগর (উভয়েই মঞ্জুর পালিত গুন্ডাবাহিনী)।
সাংবাদিক মিয়া সুলেমান তার পেশাদারিত্বের অংশ হিসেবে ঐ জায়গার মোবাইলে ছবি উঠাতে গেলে জবরদখলকারী উল্লিখিত ব্যক্তিবর্গ সহিংস্রতা করার জন্য পায়তারা করে এবং এক পর্যায়ে দেশিয় অস্ত্র নিয়ে তেড়ে আসে। চিৎকার করলে রাস্তা দিয়ে চলাচলরত লোকজন এগিয়ে আসলে জবরদখলকারীরা তাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
মো. সাহেব আলী বলেন, তার ভোগদখলীয় জায়গায় দীর্ঘদিন থেকে জবরদখল করার পায়তারা করে আসছে ভূমিদস্যু মঞ্জু ও তার দোসররা। আরো বেশ কয়েকবার সহিংস্রতার লক্ষ্যে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। সর্বশেষ গতকাল এবং আসন্ন দিনসমূহের যে কোন সময় ঘটতে পারে এমন শংঙ্কা রয়েছে।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ভূমিদস্যুতা, মামলাবাজি ও নানা অত্যাচারের মাধ্যমে পাশ্ববর্তী পরিবারের সাধারণ মানুষের জীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছে মঞ্জুর ও তার দোসররা। তারা এলাকার নিরীহদের জমি ভুয়া দলিল করে আসছে, ভয়ভীতি প্রদর্শন, ভুয়া দলিল তৈরি এবং মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করার মতো কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বহু বছর ধরে। এর ফলে উক্ত মহল্লার পরিবারসমূহ ভয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
উক্ত মহল্লার এক ভুক্তভোগী বলেন, “আমরা শান্তিতে থাকতে পারি না। মঞ্জু আমাদের জমির কাগজে কারচুপি করে দখল নিতে চায়। প্রতিবাদ করলে মিথ্যা মামলা দেয়।” নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অপর এক বাসিন্দা বলেন, “মঞ্জুর অত্যাচারে তার ভাই ভিটেমাটি ছাড়া। সে পুরুপুরি মামলাবাজ। মহল্লাবাসিকে শান্তিতে থাকতে দেয় না।”
স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দদের জানানো হয়েছে এবং তারা বলেছে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে। আশু প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না হলে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশংঙ্কা রয়েছে। ইতোমধ্যে ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ নিয়ে ভাবছে যেহেতু মঞ্জু ও তার গংরা মাথা ছাড়া দিয়ে উঠছে।
